নিজস্ব প্রতিবেদন: গত কয়েকমাস ধরে জনপ্রিয় নায়িকা পরীমণিকে (Pori Moni) ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগত। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। গত পয়লা সেপ্টেম্বর জামিনে ছাড়া পান পরীমণি (Pori Moni)। সেই মামলাতেই গত ১৫ সেপ্টেম্বর ফের আদালতে হাজিরা দেন নায়িকা। তবে সেদিন তাঁর মামলার চার্জশিট জমা দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে তা জমা
দেওয়া হয়নি। এদিন আদালতে পরী তাঁর আটক করা গাড়িসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ফেরত চেয়ে আবেদন করেন। এরপর পরীমণির ব্যবহৃত গাড়ি, মোবাইল, ল্যাপটপসহ আটক করা ১৬টি জিনিস তাঁকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশের আদালত। অবশেষে রবিবার স্থায়ী জামিন পেলেন পরীমণি।
কিছুদিন আগেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পরিদর্শক কাজী মোস্তাফা কামালকে বাজেয়াপ্ত করা জিনিসগুলো ফেরত দিতে বলেছিল আদালত। এরপর রবিবার জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারের আদালতে পরীমণির আইনজীবী তার স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তার স্থায়ী জামিন মঞ্জুর করেন। পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সৌরভী
এদিন বলেন, ‘আমরা জামিনের স্থায়ী পিটিশন চেয়ে শুনানি করি। রাষ্ট্রপক্ষ বিরোধিতা করেছে। তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।রবিবার দুপুর দেড়টায় পরীমণি আদালতে হাজির হন। নির্ধারিত সময়ের সাড়ে তিন ঘণ্টা পর পরীমণি আদালতে আসায় এ নিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু।
গত ৪ আগস্ট রাতে প্রায় চার ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমণিকে গ্রেফতার করে র্যাব। এই তল্লাসির সময়ই পরীমনির বাড়ি থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদক পাওয়া গেছে বলে জানায় র্যাব। এর পরেরদিনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরীমণি ও তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বনানী থানায় মামলা করে। এরপর ৩ দফায় মোট ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় পরীমণিকে।
সকল জল্পনা কল্পনা শেষে স্থায়ী জামিন মিললো এই নাইকার.
POST BY TAMJID RONI...